আর্টিকেল লেখার নিয়ম, ইউনিক আর্টিকেল কিভাবে লিখবেন, how to write Unique & quality article

একটি ব্লগ ওয়েবসাইটের বড় সম্পদ হলো আর্টিকেল। ব্লগ সাইটে যদি আর্টিকেল না থাকে তাহলে সেই ব্লগ সাইট মূল্যহীন। প্রচুর পরিমানে ভিজিটর পেতে হলে ব্লগ সাইটে প্রচুর পরিমানে কোয়ালিটিফুল আর্টিকেল লিখতে হবে। এছাড়া আপনার ওয়েবসাইটে যদি নিয়মিত কোয়ালিটিফুল আর্টিকেল না লিখেন বা নিম্নমানের আর্টিকেল লিখেন তাহলে আস্তে আস্তে আপনার ভিজিটর কমতে থাকবে। 

যারা নতুন ব্লগার তাদের অনেকেই জানেন না কিভাবে কোয়ালিটিফুল আর্টিকেল লিখতে হয়। যেতেতু আমাদের ওয়েবসাইটে বেশিরভাগ অর্গানিক নতুন নতুন ভিজিটর আসে গুগল থেকে। তাছাড়া বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন থেকে ওয়েবসাইটে ভিজিটর এসে থাকে। তাই আপনার আর্টিকেল ইউনিক, কোয়ালিটিফুল হওয়ার পাশাপাশি এসইও ফ্রেন্ডলি হওয়া জরুরী। এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল বলতে সার্চ ইঞ্জিনে বেশি সার্চ করা কিওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে আর্টিকেল লিখা। এক্ষেত্রে গুগল কিওয়ার্ড প্ল্যানার বা বিভিন্ন অনলাইন টুলস ব্যবহার করা যেতে পারে। 

আপনি যখন আপনার ওয়েবসাইটে এমন একটি টপিক এর উপর আর্টিকেল পাবলিশ করেন যেটা নিয়ে ইতিমধ্যে অনেক ওয়েবসাইট থেকে উক্ত বিষয়ে আর্টিকেল লিখে রেখেছে। যেগুলো গুগলে সার্চ করলে টপ পজিশনে সার্চে পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে আপনি যখন তাদের থেকে ভালো, ইউনিক, কোয়ালিটিফুল ও যথাযথ এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল প্রকাশ করতে পারেন তাহলে আপনার আর্টিকেলও সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাংক করবে। 

আর্টিকেল কি?

মুলত আর্টিকেল হচ্ছে প্রবন্ধ, নিবন্ধ বা অনুচ্ছেদ। নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে গবেষনা ও স্টাডি করে সেই বিষয়ে বিস্তারিত লিখে বিভিন্ন প্রকাশনা মাধ্যমে পাঠকদের কাছে পৌছানো। আর্টিকেল প্রকাশের অনেক মাধ্যম যেমন- অনলাইন ব্লগ, নিউজ মিডিয়া, পত্রিকা ইত্যাদি। আর্টিকেল, ব্লগ পোস্ট বা কন্টেন্ট যাই বলেন না কেন এটা ছোটও হতে পারে আবার বড়ও হতে পারে তবে বর্তমান এই প্রতিযোগিতার যুগে প্রত্যেক ক্ষেত্রে কোয়ালিটিফুল আর্টিকেল এর ভূমিকা অপরিসীম।

আজকের আর্টিকেলে আলোচনা করবো কিভাবে একটি কোয়ালিটিফুল আর্টিকেল লিখতে হয়। কোয়ালিটিফুল ও ইউনিক আর্টিকেল লিখার ক্ষেত্রে কি কি বিষয় খেয়াল রাখা প্রয়োজন ইত্যাদি।

আর্টিকেল নিয়ে গবেষনা করুন

আপনি যেই বিষয়টি নিয়ে আর্টিকেল লিখতে চাচ্ছেন সেই বিষয়ে একটু সময় নিয়ে গবেষনা করুন। আর্টিকেল লেখার পূর্বে যেই বিষয়ে লিখতে চাচ্ছেন সেই বিষয়ে বিভিন্ন রিসোর্স থেকে তথ্য সংগ্রহ করুন। আর্টিকেলকে কিভাবে মানসম্মত ও প্রাণবন্ত করা যায় সেই বিষয়ে ভাবুন তারপর আস্তে আস্তে লিখা শুরু করুন।

See also  ভিপিএন কি? ভিপিএন সম্পর্কে ভূল ধারনা What is VPN ? Misconceptions about VPN

আপনার আর্টিকেল যত তথ্য সমৃদ্ধ হতে সার্চ ইঞ্জিনে আপনার আর্টিকেলকে তত প্রাধান্য দেওয়া হবে। আপনি যদি কোয়ালিটিফুল আর্টিকেল লিখেন তাহলে আপনার ভিজিটররা আপনার আর্টিকেল মন দিয়ে সময় নিয়ে পড়বে। আর্টিকেল যত সময় নিয়ে পড়বে গুগল তখন এই আর্টিকেলকে তথ্য বহুল আর্টিকেল হিসেবে চিহ্নিত করবে এবং র‌্যাংক করাবে। 

ধরুন আপনি একটা আর্টিকেল লিখলেন যেটা পড়তে ৫ মিনিট লাগবে। কিন্তু আপনি নিম্নমানের লিখলেন বা এমন কিছু বিষয় লিখলেন যেগুলো অপ্রয়োজনীয়। অথবা টাইটেল এ এমন কিছু লিখলেন যেটা আর্টিকেলের ভিতরে নাই। এক্ষেত্রে কেউ যখন আপনার আর্টিকেলে ক্লিক করবে তখন সে পুরোটা না পড়ে বেরিয়ে আসবে। অর্থাৎ বড় আর্টিকেল যতটুকু সময় নিয়ে পড়ার কথা ছিল সেটা না হয়ে ভিজিটর যখন ক্লিক করে বেড়িয়ে আসবে গুগল তখন এটাকে নিম্নমানের আর্টিকেল হিসেবে বিবেচনা করবে এবং র‌্যাংক করাবে না। 

আর্টিকেল লেখার নিয়ম, কোয়ালিটিফুল ও ইউনিক আর্টিকেল কিভাবে লিখবেন, how to write Unique and quality article
আর্টিকেল লেখার নিয়ম, ইউনিক আর্টিকেল কিভাবে লিখবেন?

পাঠকের চাহিদা অনুযায়ী আর্টিকেল লিখা

আপনি যখন একটি আর্টিকেল লিখার সিদ্ধান্ত নিবেন তখন অবশ্যই পাঠক কি চায় সেটার উপর গুরুত্ব দিবেন। আপনার আর্টিকেল এর মূল টার্গেট হচ্ছে আপনার পাঠক। এমনভাবে আর্টিকেল লিখুন যাতে আপনার আর্টিকেল পড়ে একজন পাঠক সন্তুষ্ট থাকে। যেই বিষয়ে আর্টিকেল লিখবেন একটু বিস্তারিত ভাবে লিখুন যাতে একজন পাঠক আর্টিকেল পড়ার পর মনের ভিতর তেমন প্রশ্ন না থাকে।

অনেকেই নিজে যা পারি সেই অনুযায়ী আর্টিকেল লিখে পাবশি করে ফেলি। কিন্তু অবশ্যই খেয়াল করা ‍উচিৎ আপনার আর্টিকেল পড়ে পাঠক তৃপ্তি পাচ্ছে কিনা বা যেই বিষয়ে লিখছেন সেই বিষয়ে পুরোপুরি জানতে পারছে কিনা। 

ইউনিক আর্টিকেল কিভাবে লিখবেন

একটি ওয়েবসাইটকে র‌্যাংক করাতে ইউনিক আর্টিকেল এর বিকল্প নেই। একটু চিন্তাভাবনা করে যেই বিষয়ে আর্টিকেল লিখতে চান সেই বিষয়ে কয়েকটি আর্টিকেল পড়ুন। একটু গবেষনা করুন, বিভিন্ন তথ্য, উপাত্ত সংগ্রহ করুন। এভার ভাবুন কিভাবে এটা নিজের মত করে লিখা যায়। গুগল, ইউটিউব, সরকারি বিষয়ে লিখতে চাইলে সেই বিষয়ে কি কি নোটিশ প্রকাশ করা হয়েছে, কি দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ইত্যাদি বিষয় নিজের মত করে লিখুন। কখনই হুবুহু কপি করবেন না। শুধু ইউনিক নয় পাশাপাশি পাঠক যেন পড়ে বুঝতে পারে এমন ইন্টারেস্টিং করে লিখুন। 

আকর্ষনীয় টাইটেল নির্বাচন করা

একজন ভিজিটর বা পাঠক আপনার আর্টিকেল এর টাইটেল দেখেই আপনার আর্টিকেল পড়ার জন্য ক্লিক করবে। তাই অবশ্যই তথ্যবহুল, পুরো আর্টিকেল ফোকাস পয়েন্ট বিশিষ্ট আকর্ষনীয় টাইটেল নির্বাচন করুন। টাইটেল নির্বাচনের ক্ষেত্রেও এসইও ফ্রেন্ডলি টাইটেল ব্যবহার করুন।

See also  কম্পিউটার দোকান ব্যবসা আইডিয়া, ষ্টুডিও ও অনলাইন দোকান দিতে কি কি লাগে?

যেই টাইটেল গুলো লিখে গুগলে বেশি সার্চ দেওয়া হয় সেই অনুপাতে টাইটেল ব্যবহার করতে পারেন। পোস্ট এর টাইটেল খুব বেশি ছোটও করবেন না আবার অনেক বড় টাইটেলও লিখবেন না। মাঝারি আকারের টাইটেল ব্যবহার করুন।

ফোকাস কিওয়ার্ড ব্যবহার করা

যেগুলো লিখে মানুষ ‍গুগলে সার্চ করে সেগুলোই হচ্ছে ফোকাস কিওয়ার্ড। তবে আর্টিকেল এর মধ্যে যেখানে সেখানে ফোকার্স কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করবেন। 

আর্টিকেল এর মধ্যে যেই হেডিং গুলো থাকে বিশেষ করে সেই হেডিং গুলোতে ফোকাস কিওয়ার্ড ভিত্তিক লিখতে পারেন। ফোকাস কিওয়ার্ড আপনার আর্টিকেলের হেডিং, ছবির ক্যাপশন, প্রথম প্যরা ইত্যাদি জায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন। 

হেডিং ব্যবহার করা

আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে হেডিং ব্যবহার করলে আর্টিকেল দেখতে যেমন সুন্দর হয়। তেমন ই এসইও ফ্রেন্ডলি হয়। কারন গুগল আপনার আর্টিকেল যখন ইনডেক্স করে তখন আপনার হেডিং গুলোর উপর ফোকাস করে যে আপনি মূলত কি কি বিষয়ে লিখেছেন সেটার উপর নির্ভর করে ক্রল করে। পরবর্তীতে আপনার হেডিং অনুযায়ী কেউ সার্চ করলে আপনার আর্টিকেলকে সার্চ ইঞ্জিনে শো করায়। হেডিং অবস্থা অনুযায়ী h1, h2, h3, h4, h5, h6 ইত্যাদি হেডিং ব্যবহার করতে পারেন।

ব্লগার এর ক্ষেত্রে:

  • h1 = Major Heading
  • h2 = Heading
  • h3 = Subheading
  • h4 = Minor heading
  • h5 = Edit Html for h5
  • h6 = Edit Html for h6

P = Paragraph প্রত্যেকটা অনুচ্ছেদ বা প্যারা লেখার জন্য প্যারাগ্রাফ অপশন ব্যবহার করবেন। Normal হচ্ছে সাধারন কিছু লেখার জন্য।

রিলেটেড কিওয়ার্ড ব্যবহার করা

ফোকাস কিওয়ার্ড ব্যবহারের সাথে সাথে রিলেটেড কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন। এতে সার্চ ইঞ্জিন এর র‌্যাংক বৃদ্ধি পাবে। 

প্যারাগ্রাফ আকারে লিখা

গাধাগাধি বড় বড় প্যারা করে আর্টিকেল লিখবেন না। স্বচ্ছ ও ছোট ছোট প্যারা আকারে লিখবেন। যাতে সহজেই আপনার আর্টিকেল পড়া যায় ‍বুঝতে সুবিধা হয়। অনেক বড় প্যারা হলে ভিজিটররা আর্টিকেল পড়তে রিরক্তবোধ করে। ফলে আর্টিকেল না পড়েই চলে যায়। এতে ওয়েবসাইটের ক্ষতি হয়।

ভূমিকা ও উপসংহার লিখা

প্রত্যেকটি আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে ভূমিকা ও উপসংহার লেখা। যাতে আর্টিকেল দেখতে সুন্দর হয়। এবং পরিশেষে একজন ভিজিটর এর সিদ্ধান্ত নিতে ও সার-সংক্ষেপ বুঝতে সুবিধা হয়।

বুলেট পয়েন্ট ও নাম্বার লিস্ট ব্যবহার করা

বুলেট পয়েন্ট ও নাম্বার লিস্ট আপনার আর্টিকেলকে আরোও প্রাণবন্ত করে তোলে। 

বুলেট লিস্ট ও সুবিধা ও ব্যবহার:

  • বুলেট হচ্ছে কোনো বিষয়ের কিছু পয়েন্ট তুলে ধরা
  • এটাতে কোনো নাম্বারিং বা সিরিয়াল থাকে না
  • সাধারনত কিছু পয়েন্ট তুলে ধরতে ব্যবহার হয়
  • যেগুলোর প্রকারভেদ এর শেষ নেই এমন বিষয় বুলেট আকারে প্রকাশ করা হয়
See also  দ্রুত গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়, ব্লগে গুগল এডসেন্স পেতে করনীয়, এডসেন্স রিজেক্ট করার কারন

নাম্বার লিস্ট এর সুবিধা ও ব্যবহার:

  1. নাম্বার হচ্ছে কোনো কিছুর প্রকারভেদ তুলে ধরা
  2. সাধারনত কয়েকটা পয়েন্ট বা নির্দিষ্ট প্রকারভেদ তুলে ধরতে ব্যবহার হয়।
  3. যেগুলোর প্রকার চেঞ্জ হয় না। যেমন- জান্নাত ৮ টি। এখানে ৮ টি নম্বর ব্যবহার করা যেতে পারে
  4. অথবা নিচে ১০ টি উপায় উল্লেখ করা হলো: ইত্যাদি ক্ষেত্রেও নাম্বার লিস্ট ব্যবহার করা হয়।

তথ্যবহুল আর্টিকেল লিখা

আর্টিকেল লিখার সময় অবশ্যই বড় আকারে লিখা। এতে সহজেই আপনা আর্টিকেল গুগলে র‌্যাংক করবে এবং ভ্যালু বাড়বে। ব্লগ পোস্ট এর জন্য ১০০০ থেকে ১৫০০ ওয়ার্ড বা তার অধিক লিখতে পারেন। তবে কখনই প্রথম প্রথম ৫০০ ওয়ার্ড এর নিচে লিখবেন না। 

ইউনিক, ক্রিয়েটিভ ও ইন্টারেস্টিং আর্টিকেল লিখা

আর্টিকেল অবশ্যই শতভাগ ইউনিক, ক্রিয়েটিভ ও ইন্টারেস্টিং করে লিখা উচিৎ। অন্যের আর্টিকেল কপি করা একদমই ঠিক নয়। এতে আপনার ওয়েবসাইট এর র‌্যাংক কমে যাবে। কপিরাইট সমস্যা হবে। তাছাড়া অন্যের লেখা কপি করলে আপনার লাভ নেই। একবার ভাবুন অন্যের লেখা কপি কেন করবেন। যেই লেখা কপি করতে চাচ্ছেন সেই লেখা তো ইতিমধ্যে গুগলে আছে। 

আপনি যদি কপি করেন তাহলে তো গুগল কখনই আপনাকে র‌্যাংক করাবে না। উল্টো ডাউন করে দিবে। আর যদি ইউনিক ভাবে লিখুন তাহলে আপনার আর্টিকেলকে র‌্যাংক করাবে, গুগল সবসময় ভিজিটরদের জন্য নতুন কিছু চায়। তাই অবশ্যই নতুন কিছু দেওয়ার চেষ্টা করুন।

ছবি/ইমেজ ব্যবহার করা

আর্টিকেল এর মধ্যে রিলেডেট ছবি ব্যবহার করুন। অবশ্যই নিজের ছবি বা কপিরাইট ফ্রি ছবি ব্যবহার করুন। ছবি পাঠকদের আকর্ষন করে এবং এসইওতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। টপিক এর উপর ভিত্তি করে রিলেডেট ছবি/গ্রাফ ব্যবহার করতে পারেন। আপনার যদি ইউটিউব চ্যালেন থাকে তাহলে সেটার ভিডিও ইমবেড করে দিতে পারেন।

ডেসক্রিপশন ব্যবহার করা

আপনার পোস্ট এ ডেসক্রিপশন ব্যবহার করুন। ডেসক্রিপশন আপনার ব্লগ এর অন্যতম একটি উপাদান। এটি যদি সুন্দর করে লিখেন তাহলে আপনার ভিজিটরদেরকে আকর্ষণ করতে পারবেন। এতে আপনার ব্লগে বেশি পরিমান ভিজিটর পেতে পারেন।

ক্যাটাগরি ব্যবহার করা

ক্যারাগরি হচ্ছে একটা পোস্টের ধরন। অর্থাৎ আপনি পোস্ট টা কি বিষয়ে লিখছেন সেটাই হচ্ছে এটার ক্যাটগরি। যেমন এই পোস্ট টি ব্লগিং নিয়ে লিখা। তাই এটাতে ব্লগিং ক্যাটাগরি ব্যবহার করেছি। আপনি যদি হেলথ নিয়ে লিখেন তাহলে হেলথ এর অন্তর্ভুক্ত ক্যাটাগরি যেমন- ঔষধি গাছ, রোগব্যাধি, এলাপ্যাথি চিকিৎসা, ইত্যাদি আরোও অনেক ক্যাটাগরি আছে সেই অনুসারে লিখবেন। 

এছাড়া টেক নিয়ে লিখলে, প্রযুক্তি টিপস্, নতুন আবিষ্কার, সেরা ১০, অনলাইনে আয় ইত্যাদি। মূলত আপনার ওয়েবসাইট এর উপর নির্ভর করে টপ ক্যাটাগরি দিবেন আর অবশ্যই সঠিক ভাবে ব্যবহার করবেন।

পরিশেষে

উপরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লিখেছি। এর মধ্যেও কিছু বিষয় বাদও পরে গেছে। এগুলো ব্যয়বহুল আলোচনা যা একটা আর্টিকেল এ তুলে ধরা সম্ভব নয়। তাও বেসিক যতটুকু প্রয়োজন সেই অনুপাতে লেখার চেষ্টা করেছি। আশা করি উপরের নিয়ম মেনে আর্টিকেল লিখতে একটি পুর্ণাঙ্গ ও সঠিক আর্টিকেল লিখতে পারবেন।