দ্রুত গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়, ব্লগে গুগল এডসেন্স পেতে করনীয়, এডসেন্স রিজেক্ট করার কারন

দ্রুত গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়, ব্লগে গুগল এডসেন্স পেতে করনীয়, এডসেন্স পাওয়ার শর্ত, এডসেন্স রিজেক্ট করার কারন, এডসেন্স পেতে হলে ওয়েবসাইটকে কিভাবে সাজাতে হবে। কিভাবে আর্টিকেল লিখতে হবে। কোন কোন টুলস ব্যবহার করতে হবে। কি কি কজ করতে হবে কোন কোন কাজ করা যাবে না,  ইত্যাদি আজকের আর্টিকেল এর মূল বিষয়বস্তু। 

আমরা অনেক আশা নিয়ে একটি ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট রাইটিং করি। অনেক কিছুর মধ্যে দিয়ে একটি ওয়েবসাইট রেডি করে আর্টিকেল লিখে যখন এডসেন্স এর এপ্লাই করি। তখন অনেক সময় আমাদের এডসেন্স রিজেক্ট করে দেয়। তখন আমরা হতাশ হয়ে পরি। 

একটি ওয়েবসাইটকে এডসেন্স এর জন্য আবেদন করার পূর্বে কোন কোন বিষয় নিয়ে কাজ করতে হবে, কোন কোন বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। এবং এডসেন্স পাওয়ার শর্ত সহ ইত্যাদি বিস্তারিত আজকের আলোচনায় আমরা জানতে পারবো।

গুগল এডসেন্স কি?

গুগল এডসেন্স হচ্ছে গুগলের আর্নিং প্রোগ্রাম। যেখানে বিভিন্ন কোম্পানিগুলো টাকার বিনিময়ে গুগলের কাছে বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য দিয়ে থাকে। সেই বিজ্ঞাপন গুলো গুগল আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রচার করে। যখন আমাদের ওয়েবসাইটের ভিজিটররা আমাদের ওয়েবসাইটে প্রচার করা বিজ্ঞাপন গুলো দেখে অথবা ক্লিক করে এর বিনিময়ে গুগল আমাদের সাথে বিজ্ঞাপনের প্রফিটের একটা অংশ শেয়ার করে এর ফলে আমরা ওয়েবসাইট থেকে আর্নিং করতে পারি। 

এছাড়া ইউটিউবের মাধ্যমেও গুগল বিজ্ঞাপন প্রচার করে থাকে। সেখান থেকে ইউটিউব চ্যানেলের মালিকগন এই এডসেন্স এর মাধ্যমে আর্নিং করে থাকে। 

গুগলের আরেকটি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে সেটা হচ্ছে এডমোব। এনড্রয়েড ও আইওএস মোবাইলে অ্যাপ এর মধ্যেও গুগল বিজ্ঞাপন প্রচার করে থাকে। সেখান থেকে অ্যাপ এর মালিকগন গুগল এডমোব থেকে আর্নিং করে থাকে।

তাছাড়া বিভিন্ন ডেস্কটপ অ্যাপ্লিকেশ, গুগল এক্সটেনশন ইত্যাদি নানা মাধ্যমে গুগল বিজ্ঞাপন প্রচার করে। ফলে এর মালিগন বিজ্ঞাপন এর একটা অংশ পেয়ে আনিং করে।

দ্রুত গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়

দ্রুত গুগল এডসেন্স পেতে হলে দ্রুত আপনার ওয়েবসাইটকে রেডি করতে হবে। আপনার ওয়েবসাইট রেডি না হওয়া পর্যন্ত গুগল আপনাকে এডসেন্স দিবে না। তাছাড়া একটা ওয়েবসাইট যদি রেডি না হয় অথবা আন্ডার কন্সট্রাকশন এ থাকে তাহলে ভিজিটররাও ওয়েবসাইটকে এক্সেস করতে সমস্যার সম্মুখিন হবে। তাই নিচের নিময় ও শর্ত অনুযায়ী আপনার ওয়েবসাইটকে রেডি করুন। দ্রুত আপনার ব্লগে এডসেন্স পেতে করনীয়ঃ

দ্রুত গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়, ব্লগে গুগল এডসেন্স পেতে করনীয়, এডসেন্স রিজেক্ট করার কারন
দ্রুত গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়

ইউনিক, কোয়ালিটিফুল ও আকর্ষণীয় কন্টেন্ট লিখা

আপনাকে অবশ্যই ইউনিক, কোয়ালিটিফুল ও আকর্ষণীয় কন্টেন্ট, আর্টিকেল লিখতে হবে। কারোও লেখা বা কোনো ওয়েবসাইট থেকে কপি করে লেখা যাবে না। কোয়ালিটিফুল কনটেন্ট না লিখলে আর্টিকেল র‌্যাংক করাতে অনেক প্রবলেম হবে। প্রতিযোগিতার যুগে কোয়ালিটিফুল আর্টিকেল এর বিকল্প নাই। এছাড়া আর্টিকেল অবশ্যই আকর্ষণীয় হতে হবে। 

See also  কম্পিউটার দোকান ব্যবসা আইডিয়া, ষ্টুডিও ও অনলাইন দোকান দিতে কি কি লাগে?

তাছাড়া আর্টিকেল সাজিয়ে লিখতে হবে। ভূমিকা নাই, উপসংহার নাই, ফ্লাট ভাবে লিখে গেলেন একটানা। এই ধরনের আর্টিকেল এর মূল্য নেই। তাই অবশ্যই আর্টিকেল সাজিয়ে গুছিয়ে লিখবেন।

সাধারনভাবে এমন কিছু লিখে গেলেন যেগুলো তেমন প্রয়োজনীয় না, গুরুত্বপূর্ন কোনো তথ্য নাই, ভিজিটরদের আকর্ষন করে না, এমন কিছু লিখতে ভিজিটর আপনার আর্টিকেলে সময় দিয়ে পড়বে না, ফলে র‌্যাংক কমে যাবে। এডসেন্স না পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

আপনার বয়স ১৮ বছর হওয়া

ওয়েবসাইটের মালিকের বয়স ১৮ হতে হবে। ১৮ বছর হলে তবেই আপনি এডসেন্স পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করবেন। তবে আপনার বয়স ১৮ বছর না হলে আপনার বাবা অথবা মা, অভিভাবকের একাউন্ট দিয়ে এডসেন্স পেতে পারবেন। এবং তাদের ঠিকানায় পেমেন্ট পাঠানো হবে।

এডসেন্স এর প্রোগ্রাম নীতি অনুরসণ করা

এডসেন্স এর প্রোগ্রাম বহিভূত কাজ করলে এডসেন্স পাওয়া যাবে না। এডসেন্স এর কিছু নিয়ম ও শার্তাদি রয়েছে যেগুলো অনুরসরণ করে কাজ করতে হবে। যেমন- ভূয়া লিংক ব্যবহার করা, ডাউনলোড এর লিংক নাই এমন বাটন তৈরি করে ইউজারদের বিভ্রান্ত করা। বিভিন্ন অবৈধ টপিক এর উপর আর্টিকেল লিখা, অবৈধ অ্যাপ, সফটওয়্যার, ম্যালওয়ার এর লিংক দেওয়া, অপ্রয়োজনীয়, বিভ্রান্তিকর ওয়েবসাইটের সাথে লিংক করা, রিডাইরেক্ট করা, গুগল এডসেন্স এর প্রোগ্রাম ও নীতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই দুইট লিংকে ভিজিট করুন:

এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিপাইজেশন) করা

ওয়েবসাইটের কন্টেন্টকে গুগলে র‌্যাংক করতে হলে এসইও এর বিকল্প নেই। কিওয়ার্ড রিসার্চ করে এইসইও পোস্ট ও ওয়েবসাইটকে ইউজার ফ্রেন্ডলী ডিজাইন করলে দ্রুত গুগল এডসেন্স এপ্রোভ করানো যায়।

অফ পেইজ এসইও, অন পেইজ এসইও, টেকনিকেল এসইও করা জরুরী। ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটা সেকশন সুন্দর করে এসইও করলে যেমন ওয়েবসাইট দ্রুত গুগলে র‌্যাংক করবে তেমনই দ্রুত গুগল এডসেন্স পেতে সহযোগিতা করবে। 

এসইও না করে শুধু কন্টেন্টে লিখে গেলেই কিন্তু এডসেন্স পাওয়া যাবে না। অবশ্যই এসইও ফ্রেন্ডলী আর্টিকেল লিখতে হবে। সাথে সাথে ছবি/ইমেজ এসইও করতে হবে, ইমেজের টাইটেল, ক্যাপশন, অল্ট ট্যাগ সুন্দর করে লিখতে হবে।

প্রিমিয়াম ডোমেইন ব্যবহার করা

আপনার ওয়েবসাইট যদি ফ্রি ডোমেইন অর্থাৎ ব্লগস্পট ডোমেইন ব্যবহার করে থাকেন। তাহলে তারাতারি একটি মাস্টার ডোমেইন নিয়ে নিন। দ্রুত এডসেন্স ও ওয়েবসাইট র‌্যাংক করতে প্রিমিয়াম এর বিকল্প নেই। কাস্টম ডোমেইন বা প্রিমিয়াম ডোমেইন বলতে আপনি (.com, .net, .org, .info, .in, .xyz) ইত্যাদি ডোমেইন ব্যবহার করতে পারেন। তবে ব্লগস্পট ফ্রি ডোমেইন দিয়েও এডসেন্স পাওয়া যায়।

এডসেন্স সাপোর্ট করে এমন ভাষায় কন্টেন্ট লিখা

অবশ্যই এডসেন্স সাপোর্ট করে এমন ভাষায় কন্টেন্ট লিখতে হবে। এমন ভাষায় পোস্ট লিখা যাবে না যেটা এডসেন্স সাপোর্ট করে না। বা নিজে একটা ভাষা বানিয়ে লিখলেন এমন করা যাবে না। বাংলা ভাষা এখন এডসেন্স সাপোর্ট করে, তাই বাংলা ভাষাও কন্টেন্ট লিখতে পারেন।

See also  কিভাবে দক্ষতা অর্জন করবেন? ফ্রি কোর্স বনাম পেইড কোর্স Free course vs paid course

ওয়েবসাইটে গুরুত্বপূর্ণ পেজ তৈরি করা

আপনার ব্লগ, ওয়েবসাইটে দ্রুত এডসেন্স পেতে হলে আপনাকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পেজ তৈরি করে নিতে হবে। এই পেজগুলো আপনার ওয়েবসাইটে থাকলে দ্রুত এডসেন্স পেতে সহযোগিতা করবে।

  • About Us (আমাদের সম্পর্কে)
  • Contact Us (যোগাযোগ করু)
  • Privacy & Policy (গোপনীয়তা নীতি)
  • Terms & Conditions (শর্তাবলী)
  • Disclaimer (দাবিত্যাগ)

এই পেজগুলো সিরিয়ালে হেডার, ফুটারে (ওয়েবসাইটের থিম এর ডিপেন্ড করে) তৈরি করে লিংক করে দিবেন।  এই পেজগুলো যথেষ্ঠ। এছাড়া DMCA ডিএমসিএ পেজ রাখতে পারেন।

এই পেইজগুলো কিছু আপনার থিম এর সাথে ডিফল্টভাবে কোড পেয়ে যাবেন। আর কিছু আপনি জেনারেটর এর মাধ্যমে সহজেই তৈরি করে নিতে পারবেন। যেমন- Privacy Policy Generator ইত্যাদি লিখে সার্চ দিয়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে কিছু তথ্য ফিলআপ করে তৈরি করে নিতে পারবেন।

ফার্স্ট, সিম্পল ইউজার ফ্রেন্ডলী ব্লগ ডিজাইন

আপনার ওয়েবসাইট যেন দ্রুত লোড নেয় এবং ক্লিন সিম্পল একটা ডিজাইনের হয়। এতে ব্যবহারকারিরা যেমন সুবিধা পাবে। তেমনই তাড়াতাড়ি লোড নেওয়ার কারনে দ্রুত র‌্যাংক করবে এবং এডসেন্স পেতে সুবিধা হবে। ওয়েবসাইট এর স্পিড কেমন রয়েছে এটা চেক করার জন্য গুগল এর পেজ স্পিড ইনসাইট ব্যবহার করুন।

ওয়েবসাইট প্রফেশনাল ভাবে ডিজাইন করুন।, ইউজার যেন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সবকিছু সহজেই এক্সেস করতে পারে সেজন্য সুন্দর একটি মেনু তৈরি করুন, পোস্টগুলো সাজিয়ে রাখুন, ক্যাটাগরি সাজিয়ে রাখুন, সাইডবার, হেডার, ফুটার, মোটকথা মোবাইল ফ্রেন্ডলী ও রেস্পনসিভ ডিজাইন করুন। বেশি উইজগেট যুক্ত কালারফুল ডিজাইন থেকে বিরত থাকার জন্য সাজেস্ট করা হলো।

মেনুবারে অবশ্যই ৩-৪ টি ক্যাটাগরি ব্যবহার করবেন। এবং প্রত্যেকটি ক্যাটাগরি লিংক করে দিবেন। কোনো বাটনের লিংক ফাকা রাখবেন না। যেমন- আপনি মেনুতে লিখলেন হেলথ, অথচ এখন হেলথ নিয়ে আপনার ব্লগে পোস্ট নেই। তাই শুধু মেনুতে হেলথ লিখে রাখছেন পরবর্তীতে পোস্ট করে লিংক করবেন, এমন করবেন না। যখন পোস্ট করবেন তখন ই মেনুতে হেলথ লিখে লিংক করবেন।  

পর্যাপ্ত আর্টিকেল (ব্লগ পোস্ট) লিখা

একটি ব্লগ ওয়েবসাইটে প্রাণ হচ্ছে এই আর্টিকেল। একটি ওয়েবসাইটে যদি পর্যাপ্ত আর্টিকেল না থাকে তাহলে সেই ওয়েবসাইটে এডসেন্স পাবেন না। আপনি যদি কয়েকটা আর্টিকেল লিখে এডসেন্স এর আবেদন করেন তাহলে কখনই এডসেন্স দিবে না। কারন কয়েকটা আর্টিকেল একটা ওয়েবসাইটকে নতুন ও বেসিক ওয়েবসাইট হিসেবে গন্য করবে। আর এই নতুন ওয়েবসাইটে ভিজিটর থাকে না বললেই চলে। এডসেন্স দিয়ে কি করবেন। তাই পর্যাপ্ত পরিমান আর্টিকেল লিখুন। 

অনেকে বলে ২০ টি আর্টিকেল আবার অনেকেই বলে ৩০ টি আর্টিকেল লিখতে হবে। তবে আমি সাজেস্ট করব আপনি যদি ১০০০ ওয়ার্ড এ আর্টিকেল লিখেন তাহলে ২৫ থেকে ৩০ টি আর্টিকেল লিখুন। আর যদি ৭০০ ওয়ার্ড এর আর্টিকেল লিখেন তাহলে ৩০ থেকে ৩৫ টি আর্টিকেল লিখুন। এই অনুপাতে লিখতে আপনার ওয়েবসাইটে টোটাল ২৫,০০০+ ওয়ার্ড এর কন্টেন্টে থাকবে।

See also  আর্টিকেল লেখার নিয়ম, ইউনিক আর্টিকেল কিভাবে লিখবেন, how to write Unique & quality article

ওয়েবসাইটে যতগুলো ক্যাটাগরি ব্যবহার করবেন সবগুলোতে ২ টি করে আর্টিকেল রাখার চেষ্টা করবেন। সবগুলো আর্টিকেল ৯৯% ইউনিকভাবে নিজে লিখুন।

কপিরাইট ছবি/ইমেজ/গ্রাফিক/ ব্যবহার না করা

প্রত্যেকটি পোস্টে কয়েকটি করে ছবি ব্যবহার করবেন। মিনিমাম একটি ফিচারড ছবি ব্যবহার করবেন। প্রত্যেকটি ছবি কপিরাইট ফ্রি যেন হয়। কখনই অন্যের ওয়েবসাইট বা গুগল থেকে ছবি নিয়ে নিজের ওয়েবসাইটে ব্যবহার করবেন না। 

তবে কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে কপিরাইট ফ্রি ছবি পাওয়া যায়। সেগুলো একটু কাস্টমাইজ করে ব্যবহার করতে পারেন যেমন- Pexels.com, Pixabay.com ইত্যাদি। এডসেন্স পাওয়ার জন্য প্রত্যেকটা কন্টেন্ট নিজস্ব হওয়া জরুরী।

অন্যান্য এড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করবেন না

এডসেন্স এর আবেদন করার পূর্বে অন্যান্য এড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করবেন না। এটা কখনই গুগল পছন্দ করে না। তাছাড়া একই সাথে কয়েকটি এড নেটওয়ার্ক আপনার ওয়েবসাইটকে স্লো বানিয়ে দিবে। তাই অন্যান্য এড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করলে আপনার এডসেন্স রিজেক্ট করে দিতে পারে। 

বড় বড় আর্টিকেল লিখা

বেশি সময় নিয়ে হলেও আর্টিকেল একটু বড় বড় করে লিখলে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। আর্টিকেল ১০০০ থেকে ১৫০০০ শব্দ অথবা তার চেয়ে বড় করে আর্টিকেল লিখলে যেমন আর্টিকেল এর ভ্যালু বাড়ে, আর্টিকেল র‌্যাংক করে তেমনি দ্রুত এডসেন্স পেতে ভূমিকা পালন করে। আপনি যখন আপনার ব্লগে বড় করে আর্টিকেল লিখবেন তখন ছোট আর্টিকেল এর তুলনায় আপনার ব্লগে ভিজিটররা বেশি সময় ব্যায় করবে তখন গুগল একটু কোয়ালিটিফুল ভাববে।

তবে অবশ্যই অবাঞ্চিত কথাবার্তা লিখা, আজে বাজে লিখা, একটা বিষয়কে বারবার একটা প্যারার মধ্যে ঘুরিয়ে পেচিয়ে লিখে আর্টিকেল বড় করলে আর্টিকেল এর ভ্যালু কমে রাবে, র‌্যাংক করবে না। ভিজিটররা আর্টিকেল থেকে চলে যাবে বেশি কথা বলার কারনে। তাই এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন।

ওয়েবসাইটকে সার্চ কোনসোলে সাবমিট করা

গুগল সার্চ কনসোলে ওয়েবসাইটকে সাবমিট করতে হবে। সাইটম্যাপ যুক্ত করতে হবে। পোস্ট গুলো ইনডেক্স করতে হবে। তবে অধিকাংশ পোস্ট ইনডেক্স থাকতে হবে। কয়েকটা পোস্ট ইনডেক্স না থাকলেও সমস্যা নেই।  আর আপনি যদি ইউনিক, কোয়ালিটিফুল, আকর্ষনীয় কনন্টে লিখেন তাহলে অবশ্যই ইনডেক্স হবে। আর পোস্টে যখন ইমপ্রেশন আসা শুরু করবে তখন এডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করবেন।

এডসেন্স রিজেক্ট করার কারন

  • গুগল প্রোগ্রাম পলিসির নিয়ম না মানা
  • ইতিপূর্বে একটি এডসেন্স থাকা
  • পর্যাপ্ত পোস্ট না থাকা
  • কপি পোস্ট করা
  • নিম্নমানের কনেন্ট পাবলিশ করা
  • ওয়েবসাইট রেস্পনসিভ না থাকা
  • ওয়েবসাইটে ক্ষতিকর লিংক, ইমেইজ, সফটওয়্যার সম্পর্কে তথ্য থাকা
  • অবৈধ বিষয় নিয়ে লিখা ও অবৈধ শব্দ ও ইঙ্গিত দেওয়া
  • কপিরাইট ইমেইজ ব্যবহার করা
  • বিভিন্ন এআই টুলস ব্যবহার করে আর্টিকেল লিখা
  • প্রথম অবস্থায় ছোট ছোট কনটেন্ট লিখা
  • এসইও না করা
  • আবেদন করা অবস্থায় অন্য এডস চালু রাখা

শেষ কথা

এডসেন্স এর বিষয়ে লেখালেখির শেষ নেই তবুও একটি যথাযথ গাইডলাইন দেওয়ার চেষ্টা করেছি। দেখুন আপনার ওয়েবসাইটকে আপনি কিভাবে দেখছেন জানি না। তবে ভিজিটররা আপনার ওয়েবসাইটকে যাতে একটু ভালো চোখে দেখে সেই অনুযায়ী কাজ করুন। এছাড়া সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে গুগল সবসময় নতুন কিছু পছন্দ করে। নতুনত্বকে র‌্যাংক করে। যেই বিষয় গুগলে আছে সেটা যদি কপি করে পোস্ট করেন এতে গুগল কখনই ইনডেক্স করাবে না। র‌্যাংক করা তো পরের বিষয়। কারন এটা গুগলে আছে আপনি কেন আবার এটা পোস্ট করবেন। 

তাই নিজের মতো করে সুন্দর করে ইউনিক ভাবে কন্টেন্ট লিখুন। ইলিগ্যাল কোনো কিছু নিয়ে লিখবেন না। স্প্যাম করা থেকে বিরত থাকুন।  ক্ষতিকর ছবি, ভিডিও, অডিও, ফাইল, সফটওয়্যার ইত্যাদির লিংক দেওয়া ইত্যাদি নিয়ে কন্টেন্ট লিখা, এগুলা করবেন না। ভিজিটর ধরে রাখার জন্য ভালো ভালো কন্টেন্ট পাবলিশ করুন। আশা করি এডসেন্স এপ্রোভ পেয়ে যাবেন।