ফাইভার কি, ফাইভার একাউন্ট তৈরি, ফাইভার থেকে আয় করার উপায় 2023

জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ফাইভার বর্তমানে যারা অনলাইনে ইনকাম করে তাদের প্রায় সবাই ফাইভার এর সাথে পরিচিত, বর্তমানে ২০২৩ সালে এসে ফাইভাবে আপনি কতটা সফল হবেন সেটা নির্ভর করে আপনি কি কাজ করবেন এবং আপনার প্রযুক্তিগত কেমন দক্ষতা রয়েছে।

ফাইভার কি?

অনলাইন জগতে অনেক মার্কেটপ্লেস রয়েছে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করার জন্য যেমন, ফ্রিল্যান্সার.কম. আপওয়ার্ক.কম, ফাইভার.কম।  ফাইভার হচ্ছে এমন একটা মার্কেটপ্লেস যেখানে ডিজিটাল ওয়েতে ক্রয় বিক্রয় হয়। এখানে আমারা কোনো পন্য যেমন মাউস কিবোর্ড এগুলো বিক্রি করি না। আমাদের মেধাকে কাজে লাগিয়ে কোনো সেবা প্রদান করি এবং ডিজিটাল ওয়েতে সেল করা যায় এমন কোনো কিছু বিক্রি করি, যেমন সফটওয়্যার, এপ, ডিজাইন, পিডিএফ ফাইল ইত্যাদি।

 আমরা যেমন লোকাল মার্কেট থেকে কোনো কিছু কেনাকাটা করি তেমন ই ফাইভার হচ্ছে অনলাইন মার্কেট যেখান থেকে আমরা আমাদের ডিজিটাল ভিজুয়াল প্রডাক্ট, পরিসেবা, ডিজিটাল মাধ্যমে শেয়ার করা যায় এমন যে কোনো সেবা আমরা এই অনলাইন মার্কেট প্লেসে গিয়ে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করি। এবং যারা টাকার বিনিময়ে এই সেবা গ্রহণ করে তাদেরকে আমরা বায়ার বলি।

বাংলাদেশে বর্তমানে এই ফাইভার থেকে হাজারো তরুণ লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে।

দেখুন লক্ষ লক্ষ টাকা  ইনকাম করছে এটা সত্য কিন্তু সবাই করছে এটা কখনই না। যারা করছে তারা করছে। এর মানে এটা নয় যে, আপনি পারবেন না। 

হ্যাঁ আপনি পারবেন না যদি আপনি কিছু দিন অথবা কিছু মাস কষ্ট করে এটাকে ভালো না বাসতে বা কিছু দিন কষ্ট করার পর আর এটা ভালো না লাগে এটার পিছনে সময় দিতে না পারেন তাহলে আপনি অবশ্যই পারবেন না। সফল হতে হলে আপনাকে লেগে থাকতে হবে। কতদিন এটা সরাসরি বলা মুশকিল। এবার আসুন মূল পয়েন্ট এ-

আজকে এটা নিয়ে কিছু সত্য কথা তুলে ধরার চেষ্টা করবো,

ফাইভার কি, ফাইভার একাউন্ট তৈরি, ফাইভার থেকে আয় করার উপায়
ফাইভার থেকে আয় করার উপায়

কিভাবে ফাইবার থেকে ইনকাম করবে

ফাইভারকে আরো সহজে যদি আপনাকে বুঝাতে চাই বা অনলাইন মার্কেট প্লেস এ মুলত কিভাবে টাকা ইনকাম হয় এটা যদি আপনাকে বুঝাতে চাই তাহলে এভাবে বলতে হবে যে,

ধরুন আপনি আপনার বাজারে  একটা দোকান দিলেন এবং সেই দোকানে কিছু মাল তুললেন, এখন রাস্তায় যারা হাটাহাটি করতেছে তারা হচ্ছে বায়ার/ ক্রেতা, বাজারে কিন্তু একই জিনিস বিক্রি করে এমন অনেক দোকান থাকে,  এখন যদি কেউ আপনার দোকান পছন্দ করে বা আপনার দোকানের জিনিস দেখে তার পছন্দ হয় বা ভালো লাগে তাহলে সে আপনার দোকানে আসবে আপনার সেবা বা পন্য যদি ভালো হয় তাহলে তার যখনই কিছু লাগবে সে আপনার  দোকানে আসবে।

সাধারন দোকানের ক্ষেত্রে যেটা হয়, তা হলো চিপ্স কিন্তু সব দোকানে পাওয়া যায় তাই সে কিন্তু আপনার দেকানে চিপ্স কিনতে আসবে না যদি তার বাড়ি দূরে থাকে সে সাধারনত তার বাড়ির পাশের দোকান থেকেই কিনে নিবে, কিন্তু অনলাইন মার্কেট এ কাছে দূরে বলে কথা নেই আপনি পাশের রুমে থাকা আর আমেরিকা থাকা একই কথা। তাই সে আপনাকে দিয়েই কাজ টি করাবে। এটা একটা প্লাস পয়েন্ট

See also  প্রতিদিন ৪-৫ হাজার টাকা ইনকাম করার ব্যবসা আইডিয়া top Business Idea in Bangladesh

ফাইভার থেকে আয় করতে হলে কি কি যোগ্যতা লাগবে

ফাইভার অনেক বড় একটা মার্কেটপ্লেস এখানে শত শত ধরনের কাজ রয়েছে, যেগুলো বিদেশী ক্লায়েন্টরা আমাদের দেশের মানুষদেরকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয়। 

যেমন, আপনি একার পক্ষে দুনিয়ার সব যোগ্যতা অর্জন করতে পারবেন না, তবে কয়েকটা যোগ্যতা অর্জন করতে পারবেন যেগুলোকে কাজে লাগিয়ে আপনি অনলাইন মার্কেপ্লেস ফাইভার এ কাজ শুরু করতে পারেন, যেমন ডাটা এন্ট্রি, টাইপিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট, ভিডিও  এডিটিং, ইত্যাদি সহ আরো অনেক কিছূ,

এখন দেখুন আপনি কি পারেন, বা যদি কিছুই না পারেন তাহলে কি  শিখতে পারবেন, উপরে কয়েকটা মেজর বিষয়ের নাম বলেছি, এগুলোর মধ্যেও অনে ভাগ রয়েছে, যেমন গ্রাফিক ডিজাইন এর মধ্যে রয়েছে লোগো ডিজাইন, ব্যানার ডিজাইন, বিজনেস কার্ড ডিজাইন, সিভি ডিজাইন, পোস্ট ডিজাইন, থাম্বনেইল ডিজাইন, কভার ফটো ডিজাইন ইত্যাদি, আপনি চাইলে এখান থেকে যে কোনো একটা বিষয় নিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন।

এর মানে এটা নয় যে আপনাকে এটা দিয়েই শুরু করতে হবে, আমি শুধুমাত্র একটা উদাহারন দিলাম, ফাইভার.কম এ প্রবেশ করলে এমন শত শত ক্যাটাগরি রয়েছে তার মধ্যে যেটা আপনার সবচেয়ে ভাল লাগে বা আপনি করতে পারবেন শিখতে পারবেন এমন যেটা ভালো লাগবে সেটাই শেখা শুরু করুন অথবা শেখা থাকলে ফাইভার এ কাজ করা শুরু করতে পারেন।

ফাইভারে কাজ করতে হলে প্রধান ল্যঙ্গুয়েজ ইংলিশ জানাটা অনেক জরুরী, তাই এটা যে কোনো মূল্য শিখে নিবেন, আপনাকে ইংলিশে বক্তব্য দিতে বলছি না। শুধু কথা বলাটা শিখে নিবেন

এবার আসি কিভাবে শুরু করবেন, ফাইভার এ কাজ শুরু করতে হলে প্রথমে ফাইভারে একাউন্ট খুলতে হবে, নাহ, আগে কাজ শিখতে হবে পরে একাউন্ট খুলতে হবে, যদি ভূল না করতে চান তবে আগে কাজ শিখুন, ফাইভারে একাউন্ট খোলা একদম সোজা, ক্লাস ফাইভের কাউকে বললে সেও একাউন্ট খুলতে পারবে।

এবার শুনুন, কাজ শিখা হয়ে গেলে বুঝে শুনে একাউন্ট খুলবেন, কোনো কাজেই তারাহুরা করবেন না, এবার একাউন্ট খুলে আপনাকে গিগ তৈরি করতে হবে মানে আপনার দেকানে মাল উঠাতে হবে।

ফাইভার গিগ কি

গিগ হচ্চে আপনার দোকানের সাইনবোর্ড এর মতো, যেখানে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় সেবা সমুহ বা পন্য লিস্ট আকারে রাখবেন ওই সাইনবোর্ড দেখে যদি কারো পছন্দ হয় তবে সে আপনার দোকানে এসে জিজ্ঞাস করবে এটা হবে ওটা হবে এটা করলে কত টাকা লাগবে ওটা কিনলে কত টাকা লাগবে? সেই এই ব্যাপার টাই ঘটে ফাইভার এ। 

মানে আপনি একটা গিগ তৈরি করলেন এবং ওখানে উদাহরন সরূপ কয়েকট ডিজাইন এর ছবি পোস্ট করলেন এবং লিখে দিলেন যে আমি  এই এই ধরনের ডিজাইন পারি, আপনি যদি আমার গিগ এর ছবি দেখে আমার কাজ পছন্দ হয় তাহলে আমাকে নক করুন বা অর্ডার করুন, 

তখন কোন বায়ার যদি আপনার কাজ পছন্দ হয় তখন সে আপনাকে নক দিয়ে বলবে এটা করতে পারবা বা এটা করে দিলে খরচ কত পরবে ইত্যাদি ইত্যাদি এবার তোমরা কথাবার্তা শেষ করে সে তোমাকে কাজের অর্ডার দিবে আর তুমি এটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ টা করে দিবা এবং এর বিনিময়ে সে তোমাকে টাকা দিবে। এই যে তুমি তোমার দোকনে সাইনবোর্ড দিলা কাস্টমার পাওয়ার জন্য এটাই মুলত গিগ। আশা করি বুঝতে পারছো।

See also  অনলাইনে ইনকাম করার উপায় ২০২৩, how to earn money online

ফাইভারে কে টাকা দিবে?

তোমাকে যে নক দিয়েছে এবং তোমাকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিয়েছে সেই মূলত তোমাকে টাকা দিবে, বুঝলাম কিন্তু কিভাবে দিবে তাহলে শোনো, তুমি যখন বায়ারের কাজ টা করে ডেলিভারি দিবে তখন বায়ার তোমার কাজটা পছন্দ করবে এবং সে তোমার ফাইভার একাউন্টে একটা ভালো রিভিও দিবে যেমন খুব ভালো কাজ, আমার পছন্দ হয়েছে, খুবই ভালো কাজ করে ইত্যাদি ইত্যাদি। 

এরপর এই ফিডব্যাক দেওয়ার পর ওই বায়ারে একাউন্ট থেকে টাকা আসবে ফাইভার এর একাউন্টে এর পর সে তোমার একাউন্টে টাকা টা পাঠিয়ে দিবে এবং ফাইভার কিছু টাকা চার্জ রেখে দিবে যেহেতু তুমি তার মাধ্যমে কাজ পেয়েছ। বলতে পারো তোমার কাজের নিরাপত্তার জন্য এই কমিশন টা কেটে নিবে।

ফাইভার একাউন্ট তৈরি

ফাইভার.কম এর ওয়েবসাইট থেকে একাউন্ট করে নিবেন সেই জন্য আপনি ইউটিউব এ ভিডিও দেখতে পারেন ‘How to create Fiverr account’ লিখে সার্চ করে, এখানে আমি চাইলে একাউন্ট খোলা দেখাতে পারতাম কিন্তু আপনার সবচেয়ে ভালো হবে ভিডিও দেখে তারপর ফাইভার এ একাউন্ট খোলা, আর অবশ্যই নতুন ভিডিও দেখবেন, কখনই ২-৩ বছর আগের ভিডিও দেখবেন না।, কারন প্রযুক্তি প্রতিদিন আপডেট হচ্ছে এবং প্রত্যেকটা কোম্পানির নিয়ম ও কন্ডিশন ও আপডেট হচ্ছে।

    একাউন্ট খুলতে এই লিংকে ক্লিক করুন

একাউন্ট খোলার পর আপনার প্রফাইল সাজিয়ে নিবেন, আর কাজ পাওয়ার জন্য একটা সুন্দর প্রফাইল এর বিকল্প নাই।

সুন্দর করে প্রফাইল সাজালে আপনার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়, প্রফাইলে সুন্দর একটা ছবি আপলোড দিবেন, কখনই নরমাল ঘোলা, বোঝা যায়না, ঝাপাসা হয়ে আছে এমন ছবি আপলোড দিবেন না। সবসময় একটা ক্লিন, ভদ্র একটা ছবি আপলোড দিবেন।

আপনার সম্পর্কে ছোট করে একটা লাইন লিখবেন যেমন, Professional Graphic Designer, Creative Content Writer, ইত্যাদি। এর পর আপনি কোন কোন ভাষায় কথা বলতে পারেন এগুলো সেটআপ করবেন, আপনার সম্পর্কে  বিস্তারিত একটা সুন্দর ডেস্ক্রিপশন লিখবেন,

যেমন

Hi This is Fahad Hasan from Bangladesh. Creative Content Writer or Professional English Creative Content Writer. I will write 100% Creative Content following. finance, Insurance, Investing, loans, Mortgage, Credit, Real Estate, Law, Donate, Conference, Tech Blog and others. I’m always ready for a challenge. 

তারপর আপনার সোস্যাল মিডিয়ার একাউন্টগুলো লিংক করে দিবেন এতে আপনার প্রফাইল আরো উপযোগী হবে। পরের অংশে আপনার কি কি যোগ্যতা রয়েছে মানে আপনি কি কি পারেন এগুলো এড করে দিবেন

তারপর আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, সার্টিফিকেট অর্জন করে থাকলে সেগুলো এড করে দিবেন। কখনই ভূয়া ইনফরমেশন দিবেন না। এতে আপনার একাউন্ট টি  সাসপেন্ড হয়ে যেতে পারে বা কখনও কোনো কিছুর প্রুফ চাইলে আপনি দিতে না পারলে আপনার একাউন্ট রিমোভ করে দিবে।

ফাইভার এ কিভাবে গিগ তৈরি করবেন

একাউন্ট খোলার পর Create Gig অপশন পেয়ে যাবেন, আমি আপনাকে সাজেস্ট করবো ইউটিউব থেকে ভিডিও দেখে তারপর একটা গিগ তৈরি করবেন। কখনই উল্টাপাল্টা তথ্য দিয়ে গিগ তৈরি করবেন না।  

See also  How to Make Money on Upwork for Beginners Online: The Ultimate Guide

আর একটা কথা মনে রাখবেন, গিগ তৈরি করার পূর্বে আপনাকে একটা ছোট পরীক্ষা দিতে হতে পারে, যেমন ইংলিশ স্কিল টেস্ট এর উপর বা আপনার এমন  কোনো গিগ তৈরি করলেন ওই বিষয়ের উপর ও টেস্ট নেওয়া হতে পারে। তাই সঠিক নিয়ম মেনে গিগ তৈরি করবেন।

কিভাবে ক্লায়েন্টদের সাথে যোগাযোগ করবেন

ফাইভার একাউন্ট ও খুললেন, গিগ ও তৈরি করলেন এবার অপেক্ষা করুন, যখন ই কোনো বায়ার আপনাকে নক করবে তখন ই আপনি কাজ শুরু করতে পারবেন, প্রথম প্রথম আপনার একটু বুঝতে কষ্ট হবে যে, কিভাবে কি শুরু করবো, কিন্তু ঘাবড়ে যাবেন না। 

ধিরে ‍ধিরে বায়ারের সাথে কথা বলুন, দেখুন সে কি চাচ্ছে তার কথা কি ঠিক মত বুঝতে পারছেন কিনা, না বুঝে জি স্যার, ওকে স্যার, এমন করবেন না। সুন্দর করে একটি গিগ তৈরি করতে পারলে অর্ডার পাওয়ার চান্স বেড়ে যায়।

যেভাবে অর্ডার পাবেন

আমি প্রথম থেকেই বলতেছি যে আপনি তারাহুরা করবেন না। সত্যি কথা বলতে যারা ফাইভার এ কাজ করাতে আসে তারা ফাইভার এ এসে সার্চ করে যে আমার এটা লাগবে ওটা লাগবে, তার মধ্যে যদি আপনার গিগ টা সার্চ এ আসে তখন সে গিগ টা ওপেন করে দেখবে যে এটা তার ভালো লাগছে কিনা। যদি ভালো লাগে তখনই সে নক দিবে।

আমি আপনাদেরকে এমনভাবে বুঝাচ্ছি যেন, সব পানির মতো সহজ মনে হচ্ছে তাইনা, কিন্তু আসলে এতো সহজ না, আপনার গিগ সার্চে প্রথম পেজে আনতে আপনাকে প্রচুর চিন্তাভাবনা করে গিগ তৈরি করতে হবে, তাই আমি সবসময় এটাই বলবো যে, আগে হুটহাট করে কিছু করে ফেলবেন না, সময় নিয়ে শিখুন, আপনি পারবেন, অপেক্ষা করুন ধর্য্য ধরুন, আর গিগ সার্চে আনতে আপনাকে  এস.ই.ও করতে হবে, মানে বুঝে শুনে শিখে, তারপর গিগ তৈরি করতে হবে, 

অনেকে বলে আপনি বিভিন্ন জায়গায় আপনার গিগ এর লিংক শেয়ার করতে পারেন, কিন্তু এটা কতটুকু কাজের আমি শিউর না, কারন ফািইভারে যারা কাজ করানোর জন্য ঢুকে তারা ফেইসবুকের লিংকে ক্লিক করে ঢুকে না, তারা সরকারি ফাইভারে ঢুকে কাজ খুজে কার করায়,

যেভাবে কাজ ডেলিভারি দিবেন।

আপনি যখন ফাইভারে অর্ডার পাবেন তখন কাজ শুরু করে দিবেন, কাজের নির্দিষ্ট একটা টাইম থাকে তাই অলসতা করবেন না। কাজ করা শেষ হয়ে গেলে বায়ার কে নক দিয়ে বলবেন যে, কাজ করা শেষ, এবার আমি কাজটি ডেলিভারি করবো, তো আপনার কাজ জমা দিয়ে দিলে বায়ার আপনার কাজের প্রেক্ষিতে আপনাকে একটি ভালো রিভিও দিবে এবং এটা আপনার জন্য পরবর্তীতে কাজ পেতে অনেক সহায়তা করবে, ফিডব্যাক পাওয়ার পরই আপনার একাউন্ট এ কাজের টাকা চলে আসবে।

কিভাবে ফাইভার থেকে টাকা তুলবেন

ফাইভার থেকে আপনি পেপাল, মাস্টারকার্ড, এই ধরনের অনলাইন পেমেন্ট মেথড রয়েছে যেগুলো দিয়ে সহজেই ফাইভারের টাকা তুলতে পারবেন সেক্ষেত্রে আপনাকে কয়েকদিন সময় অপেক্ষা করতে হবে।

ফাইভার টিপস  ও ট্রিকস

দেখুন প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আমি আবার বলছি উপরের যেই লেখাগুলো পড়ে মনে হচ্ছে যে, একদম সোজা, তাই না, কিন্তু বাস্তবতা অনেকটা কষ্টকর, তবে এখানে সফল হতে হলে আপনাকে অবশ্যই কঠিক পরিশ্রম করতে হবে, লেগে থাকতে হবে, শিখার মন মানসিকতা থাকতে হবে, বুঝার চেষ্টা করতে হবে। 

যদি বলেন এটা আমাকে দিয়ে হবে না, তাহলে আমিও বলবো হ্যা, এটা আপানাকে দিয়ে হবে না, কারন আপনার নিজেরই আত্ববিশ্বাস নাই, তাই এগুলো বাদ দিয়ে, ফেইসবুকে আজাইরা ঘুরাঘুরি না করে, কাজ শিখুন, ফাইভার নয়, এছাড়া আরো অনেক মার্কেটপ্লেস আছে, সবজায়গায় ভালো একটা জায়গা করে নিতে পারবেন। রাজত্ব করতে পারবেন।

সকলের উন্নতি কামনা করে আজকের আর্টিকেল এখানেই শেষ করছি।